| M | T | W | T | F | S | S |
|---|---|---|---|---|---|---|
| 1 | 2 | 3 | 4 | |||
| 5 | 6 | 7 | 8 | 9 | 10 | 11 |
| 12 | 13 | 14 | 15 | 16 | 17 | 18 |
| 19 | 20 | 21 | 22 | 23 | 24 | 25 |
| 26 | 27 | 28 | 29 | 30 | 31 | |
- প্রকাশিত হলো ভন্ডামি ও কুযুক্তির মুখোশ উন্মোচনের বই, সত্যের মুখোমুখি !
- মানব জাতির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
- স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাস এবং এর বাস্তবতা
- জামাত শিবিরের বট বাহিনীর সংঘবদ্ধ রিপোর্টের কারণে আমার ফেসবুক প্রোফাইলটি ডিজেবল হয়ে গিয়েছে
- জামায়াতে ইসলামীর জন্ম ও চরিত্র : একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণী –
- নাস্তিকতা – বিশ্বাসের বাইরে এক চিন্তার জগৎ
- ওয়াজের নামে ধর্ম ব্যবসা
- ধর্ম ও বাংলাদেশের রাজনীতি
Author: sadekmahmud
To understand the new smart watched and other pro devices of recent focus, we should look to Silicon Valley and the quantified movement of the latest generation. Apple’s Watch records exercise, tracks our moves throughout the day, assesses the amount of time we are stood up and reminds us to get up and move around if we have been sat for too long – let’s not forget Tim Cook’s “sitting is the new factor” line. Diana saves Steve Trevor who has crashed on Themyscira. He warns her of the great war, World War I, raging across the globe. Wonder Woman…
রাস্তায় পরে থাকা একটি বাশ একজন লেবার বা শ্রমিকের কাছে শুধুই বাশ, আর একজন আর্কিটেকচার বা বিল্ডিং ডেভলপার এর কাছে এটি একটি কোটি টাকার বিল্ডিং এর খুঁটি। চানাচুর, বাদাম বা ঝালমুড়ি বিক্রেতার কাছে একটা নিউটন বা আইনস্টাইনের লেখা বিজ্ঞানের বইএর পাতা শুধুই ঠুঙ্গা, আর একজন বিজ্ঞানের স্টুডেন্ট এর কাছে এটা একটা মুল্যবান বই এর পাতা ।দুইটা ব্যাপারই স্বাভাবিক, তবে ডিফরেন্ট ব্যাপার হলো কে কোনটা কিভাবে দেখে। আসলে যে যা যতটুকু জানে তার বিচার বা চিন্তা করার ক্ষমতা ততটুকুই। আপনার মধ্যে প্রতিভা থাকা সত্বেও যদি কিছু মানুষ আপনাকে মূল্যায়ণ না করে, এতে হতাশার কি আছে। যে যেটা জানে না, সে সেটার প্রয়োজনীয়তা…
মাটি ও ঈশ্বর মাটি বড়ই দৈর্যশীল একটি সত্তা , মাটিকে মানুষ যতই কাটাকাটি, পিটাপেটি করুকনা কেন মাটি কখনোই মানুষকে এর ফিডব্যাক দেয়না। মাটি মানুষের এই চরম অত্যাচার সহ্য করে আসছে অনন্ত কাল অবদি, এটাই হয়ত মাটির ধর্ম । এই মাটি মানুষকে অনেক কিছু শিখাতেও চায় বিনামূল্যে,বিনাঘামে। মানুষ তাও মানতে চায় না। মানুষ তার নিজস্ব লালিত শিক্ষায় অনড় থাকতেই সাচ্ছন্দ বোধকরে। এতেও মাটির কোনো ফিডব্যাক নেই। মাটির ধর্মই যেন মানুষের নিপীড়ন সহ্য করা। অন্যদিকে ঈশ্বরের ধর্মও মাটির মতই। মানুষ ঈশ্বরকে রূপায়িত করেছে নানা রূপে , একেক জন একেক রূপে তাকে নানা রকম গালাগাল দিচ্ছে। মানুষ ঈশ্বরকে হাজার হাজার ধর্মের দায়িত্ব দিয়ে নিজ নিজ মতে ভাগাভাগি করলেও তাতেও ঈশ্বরের কোনো প্রতিক্রিয়া নেই।…
খেয়ে, পরে , দালান প্রাসাদ তৈরি করে, ক্ষমতা অর্জন করে, মানুষ মেরে, খাটে ঝড় তুলে, আদম উৎপাদন করে, ষ্টেজে লাফিয়ে, নেতা হয়ে, রাজপথে গলাবাজী করে , যুদ্ধ করে , বিরোধী হয়ে, ঈশ্বরের ভক্তি করে, দেবতার পূজা করে, পরকালের ফসল কামাইয়ে মরে গেলেই শেষ হলো ?আর এটাই কি পৃথিবীতে মানুষ রূপে আগমনের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত ? আমার মতে -পৃথিবীতে জন্মের প্রথম কারনটা , মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বেঁচে থাকাই ।আর বেঁচে থাকার সময়টুক মানুষ হতে থাকা, প্রকৃত মানুষ হওয়া, মানুষ হইয়ে আপন জন্মের স্বার্থকতা খোঁজা । নিজের ভালোবাসা চারিপাশে ছড়িয়ে দেওয়া, মৃত্যুর পরও যেন পৃথিবী আমাকে মনে রাখে সে জন্যে আপন থেকে পৃথিবীকে কিছু দিয়ে যাওয়া।
আস্তিক্যবাদ – ঈশ্বর সকল কিছুর নিয়ন্তা। নাস্তিক্যবাদ – প্রকৃতিই সকল কিছুর নিয়ন্তা। যুক্তিবাদ – মানুষ বা মানুষের কর্ম ক্রিয়াই নিয়ন্তা। সংশয়বাদ – নিশ্চিৎ নই কে কার নিয়ন্তা । অজ্ঞেয়বাদ – ঈশ্বরবাদ , নিরীশ্বরবাদ, যুক্তিবাদ, প্রকৃতিবাদে কৌতুহল নেই; এগুলি জানি না, প্রয়োজনও ভাবি না। মনোবিজ্ঞান – আপন মস্তিষ্কই নিজস্ব নিয়ন্তা। বিজ্ঞান – অনু ,পরমানু তথা পদার্থের চরিত্র ধর্ম ই নিয়ন্তা। গ্রহরত্নবাদ – গ্রহ,নক্ষত্রই ত সর্ব নাটের গুরু । বিবর্তনবাদ – পরষ্পর নিয়ন্ত্রনাধীন প্রাকৃতিক পরিবর্তন ঘটছে, বিবর্তন ই প্রকৃতির ধর্ম , নিয়ন্তা থাকতে ই পারে। মুক্তমনা – আমার নিয়ন্তা আমিই, কারো প্রয়জন পরে না আমাকে নিয়ন্ত্রণের। আমার বাখ্যা ভূলও হতে পারে, পাঠক সমাজ…
#হ্যাঁ আপনার নিকট আহলে-কিতাবরা আবেদন জানায় যে, আপনি তাদের উপর আসমান থেকে লিখিত কিতাব অবতীর্ণ করিয়ে নিয়ে আসুন। বস্তুতঃ এরা মূসার কাছে এর চেয়েও বড় জিনিস চেয়েছে। বলেছে, একেবারে সামনাসামনিভাবে আমাদের আল্লাহকে দেখিয়ে দাও। অতএব, তাদের উপর বজ্রপাত হয়েছে তাদের পাপের দরুন; অতঃপর তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ-নিদর্শন প্রকাশিত হবার পরেও তারা গো-বৎসকে উপাস্যরূপে গ্রহণ করেছিল; তাও আমি ক্ষমা করে দিয়েছিলাম এবং আমি মূসাকে প্রকৃষ্ট প্রভাব দান করেছিলাম। কোরআন ৪/১৫৩ #না নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না, যে লোক তাঁর সাথে শরীক করে। তিনি ক্ষমা করেন এর নিম্ন পর্যায়ের পাপ, যার জন্য তিনি ইচ্ছা করেন। আর যে লোক অংশীদার সাব্যস্ত করল আল্লাহর…
জীবনের সাথে ভাগ্যের সম্পৃক্ততা থাকতেই পারে, কিন্তু এর নিয়ন্তা বলে কেউ নেই। কারো ভাগ্য কোনো সত্তা প্রতিনিয়ত নিয়ন্ত্রণ করতেছে না। মানুষ ইচ্ছে করলেই তার নিজের ভাগ্যের/পরিস্থিতির পরিবর্তন করতে পারেন। নিজের জীবনে খারাপ কিছু ঘটলে এর নিমিত্তে অন্যায়ভাবে কোনো সত্তাকে দোষারোপ করার কোন কারণ নেই। মানব জাতির চিরাচরিত অভ্যাস হলো , মানুষ যখন ভাল সময় উপভোগ করে তখন বলে, এই সময়টা আমার অনিদ্র চিন্তাভাবনা, শ্রম, ঘাম, মেধার ফলন। এর উল্টোটা হলে বা যখন খারাপ সময় অতিবাহিত করে তখন বলে যে, আমার কপালে ঈশ্বর ভালো কিছু লেখেনাই, তাই আমার দ্বারা ভালো কিছু হবে না, বা উমুকে, তুমুকে আমার জীবন বরবাদ করে দিছে,…
আমাদের জীবন একটা মহাবিদ্যালয়, জন্মলঘ্ন থেকে মৃত্যু অবধি আমরা যত প্রকার বিপদে পড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা লাভ করি প্রত্যেকটা অবস্থানই আমাদের কোনো না কোনো শিক্ষা দিয়ে যায়। আমাদের এই শিক্ষাটাই হয়ে উঠে বাস্তব জীবনের বড় শিক্ষা, কিন্তু আমরা কজন এই বাস্তব শিক্ষার মূল্যায়ন করি। সমাজের বেশিরবিভাগই দেখা যায় সার্টিফিকেট পেতে ব্যাস্ত । আমাদের পুঁজিবাদী সমাজে আমরা সাধারণত একটা ভালো চাকরির আশায় পড়াশুনা করি । কিন্তু এতে কি আমাদের চিন্তাভাবনার কোনো উন্নতি ঘটছে, বা ঘটার সম্ভাবনা আছে। পাঠ্যবই থেকে আমরা যা শিখি তা নিত্তান্তই কমন কিছু, যা সবাই জানে বা পরে। কিন্তু আপনি আমি যদি এর বাহিরের কিছু পড়ার, শিখার চিন্তা করি তাহলে ব্যাপারটা একটু ক্রিয়েটিভ হতো না? অবশ্যই হতো।…
সবার উপরে মানুষ সত্য এই বাক্যটি যেদিন থেকে মুমিন- মুসলিম, হিন্দু, বুদ্ধ, খ্রিস্টান সকল প্রজাতি মানবে, সেদিন পৃথিবী তার প্রকৃত বৈচিত্র্য খুঁজে পাবে। মৌলিকভাবেসারা পৃথিবীতে দু’টো কারনে ই বেশিরভাগ অশান্তি বিরাজ করছে!১. ধর্মের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমানের চেষ্টা২. রাষ্ট্রীয় রাজনীতিতে ধর্মকে ব্যাবহার! ধর্মের কারনে,আই এস জঙ্গি,বোকোহারাম, হুথী, হিজবুল্লাহ, তালেবান,আল কায়েদা, পিকে,নুসরাত ফ্রন্ট, লস্কর ই তৈয়বা, তালিবান রক্তপাতের খেলায় মেতেছে!!আর আফগানিস্থান, গাজা, ইসরাইল , সীরিয়াই বইছে রক্তের বন্যা। পৃথিবীতে এখনও প্রাই ৪২০০+ ধর্ম বিরাজমান রয়েছে। বিবর্তনের বহুল ধারাবাহিকতা পেরিয়ে আমরা আজ মনুষ্য রূপে পরিবর্তিত হয়েছি, আমরা ত তখন থেকেও মানুষ যখন জগতে কোন ধর্মই ছিলনা,তবে আজ কেনো ধর্মের নামে এত টানা হেঁচড়া? যে ধর্ম…
মুহাম্মদ সা. ১১ থেকে ১৪ জন নারীকে বিয়ে করেছেন।(এগারোর পরের ৩ জনের এই সংখ্যা নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে।) নিম্নে তাদের নামের তালিকা দেয়া হল:- ০১.খাদিজা বিনতু খুওয়াইলিদ (৫৯৫-৬১৯): মহানবী ২৫ বছর বয়সে ৪০ বছরের খাদিজাকে বিয়ে করেন। তিনি ছিলেন ধনাঢ্য, বুদ্ধিমতি, বিচক্ষণ, বিশ্বাসী, সুন্দরী। তাকে বলা হয়েছে সর্বোত্তম নারী।০২.সাওদা বিনতে উমর(৬১৯-৬৩২): মহানবী ৫১ বছর বয়সে তাকে বিয়ে করেন। তিনি ছিলেন সুন্দরী, স্বাস্থ্যবতী, দীর্ঘাঙ্গী, অহিংসুক, বিধবা।০৩.আয়িশা (৬১৯-৬৩২): মহানবী ৫২ বছর বয়সে ৬ বছরের আয়িশাকে বিয়ে করেন। মহানবী তার সাথে দাম্পত্যজীবন শুরু করেন বিয়ের তিন বছর পরে। তিনি ছিলেন খলিফা আবু বকরের কন্যা, প্রজ্ঞা-জ্ঞানবতী, প্রত্যুৎপন্নমতি, স্মৃতিশক্তি ও তীক্ষ্ণ বুদ্ধি সম্পন্ন, সুন্দরী, উদার ও মহৎ।০৪.হাফসা…
