Author: sadekmahmud

আমাদের জীবন একটা মহাবিদ্যালয়, জন্মলঘ্ন থেকে মৃত্যু অবধি আমরা যত প্রকার বিপদে পড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা লাভ করি প্রত্যেকটা অবস্থানই আমাদের কোনো না কোনো শিক্ষা দিয়ে যায়। আমাদের এই শিক্ষাটাই হয়ে উঠে বাস্তব জীবনের বড় শিক্ষা, কিন্তু আমরা কজন এই বাস্তব শিক্ষার মূল্যায়ন করি। সমাজের বেশিরবিভাগই দেখা যায় সার্টিফিকেট পেতে ব্যাস্ত । আমাদের পুঁজিবাদী সমাজে আমরা সাধারণত একটা ভালো চাকরির আশায় পড়াশুনা করি । কিন্তু এতে কি আমাদের চিন্তাভাবনার কোনো উন্নতি ঘটছে, বা ঘটার সম্ভাবনা আছে। পাঠ্যবই থেকে আমরা যা শিখি তা নিত্তান্তই কমন কিছু, যা সবাই জানে বা পরে। কিন্তু আপনি আমি যদি এর বাহিরের কিছু পড়ার, শিখার চিন্তা করি তাহলে ব্যাপারটা একটু ক্রিয়েটিভ হতো না? অবশ্যই হতো।…

Read More

সবার উপরে মানুষ সত্য এই বাক্যটি যেদিন থেকে মুমিন- মুসলিম, হিন্দু, বুদ্ধ, খ্রিস্টান সকল প্রজাতি মানবে, সেদিন পৃথিবী তার প্রকৃত বৈচিত্র্য খুঁজে পাবে। মৌলিকভাবেসারা পৃথিবীতে দু’টো কারনে ই বেশিরভাগ অশান্তি বিরাজ করছে!১. ধর্মের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমানের চেষ্টা২. রাষ্ট্রীয় রাজনীতিতে ধর্মকে ব্যাবহার! ধর্মের কারনে,আই এস জঙ্গি,বোকোহারাম, হুথী, হিজবুল্লাহ, তালেবান,আল কায়েদা, পিকে,নুসরাত ফ্রন্ট, লস্কর ই তৈয়বা, তালিবান রক্তপাতের খেলায় মেতেছে!!আর আফগানিস্থান, গাজা, ইসরাইল , সীরিয়াই বইছে রক্তের বন্যা। পৃথিবীতে এখনও প্রাই ৪২০০+ ধর্ম বিরাজমান রয়েছে। বিবর্তনের বহুল ধারাবাহিকতা পেরিয়ে আমরা আজ মনুষ্য রূপে পরিবর্তিত হয়েছি, আমরা ত তখন থেকেও মানুষ যখন জগতে কোন ধর্মই ছিলনা,তবে আজ কেনো ধর্মের নামে এত টানা হেঁচড়া? যে ধর্ম…

Read More

মুহাম্মদ সা. ১১ থেকে ১৪ জন নারীকে বিয়ে করেছেন।(এগারোর পরের ৩ জনের এই সংখ্যা নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে।) নিম্নে তাদের নামের তালিকা দেয়া হল:- ০১.খাদিজা বিনতু খুওয়াইলিদ (৫৯৫-৬১৯): মহানবী ২৫ বছর বয়সে ৪০ বছরের খাদিজাকে বিয়ে করেন। তিনি ছিলেন ধনাঢ্য, বুদ্ধিমতি, বিচক্ষণ, বিশ্বাসী, সুন্দরী। তাকে বলা হয়েছে সর্বোত্তম নারী।০২.সাওদা বিনতে উমর(৬১৯-৬৩২): মহানবী ৫১ বছর বয়সে তাকে বিয়ে করেন। তিনি ছিলেন সুন্দরী, স্বাস্থ্যবতী, দীর্ঘাঙ্গী, অহিংসুক, বিধবা।০৩.আয়িশা (৬১৯-৬৩২): মহানবী ৫২ বছর বয়সে ৬ বছরের আয়িশাকে বিয়ে করেন। মহানবী তার সাথে দাম্পত্যজীবন শুরু করেন বিয়ের তিন বছর পরে। তিনি ছিলেন খলিফা আবু বকরের কন্যা, প্রজ্ঞা-জ্ঞানবতী, প্রত্যুৎপন্নমতি, স্মৃতিশক্তি ও তীক্ষ্ণ বুদ্ধি সম্পন্ন, সুন্দরী, উদার ও মহৎ।০৪.হাফসা…

Read More

এই গ্রহে এমন কিছু ব্যাক্তি আছেন যারা অনেক খুঁতখুঁতে। খুঁতখুঁতে বলতে আমি যা বুঝাতে চাইছি তা হলো- সবকিছু একেবারে নিখুঁত না হলে যাদের মন ভরে না, নিজের সবকিছুই একটা খুঁতহীন অবস্থায় যারা নিয়ে যেতে চাই। সব কিছুতেই যারা একেবারে ১০০% সন্তুষ্টি আশা করে থাকে। অথচ কাউকেই ব্যক্তিজীবনে কোনো কাজে ১% ও বিশ্বাস করতে পারে না, এবং সবার ক্ষেত্রেই একটা নেগেটিভ চিন্তা ভাবনা বহন করে।।। এরকম মানুষ ব্যক্তিজীবনে ,কর্মজীবনে, সমাজজীবনে একটা অস্থির লোক হিসেবে গণ্য হয়। যা তারা নিজে থেকে কখনো টের পাই না। আমার চারপাশে এমন কিছু কিছু লোক দেখি যারা সামনে দিয়ে মশা গেলেই ধরে ফেলে আবার পিছন দিয়ে…

Read More

#চরিত্র নম্রতা, ভদ্রতা, সত্যবাদিতা, ন্যায়পরায়ণতা, শালীনতা, ভ্রাতৃত্ববোধ, মানুষের প্রতি সম্মানবোধ, কর্তব্যপরায়ণতা, মিতব্যয়িতা ইত্যাদি গুণাবলী যে ব্যক্তির মধ্যে থাকবে সেই ব্যক্তিই সুন্দর, ভালো এবং সৎচরিত্রের অধিকারী। আবার, মিথ্যা বলা, প্রতারণা, বিশ্বাসঘাতকতা, লোভ, পরনিন্দা, ওয়াদা ভঙ্গ এসব বৈশিষ্ট্য যাদের মাঝে বিদ্যমান তারাই অসৎচরিত্রের অধিকারী এবং চরিত্রহীন। #লজ্জা সবাই বলে লজ্জা হলো নারীর ভুষণ,তাহলে পুরুষের ভূষণ কি? নিন্দা ও সমালোচনার ভয়ে কোন দূষণীয় কাজ করতে মানুষের মধ্যে যে জড়ত্ববোধ / দ্বিধাবোধ হয়ে থাকে সেটাকে বলে লজ্জা বা হায়া। তা হলে লজ্জা শুধুই নারীর ভূষণ হতে যাবে কেন?নারীকে বন্দী করার জন্যে যত রকমের ফন্ধী ও শব্দের প্রয়োজন পুরুষ মানুষ তা প্রয়োগ করেছে,যা স্বপুরুষ এর…

Read More

ইসলাম এমন এক ধর্ম যেখানে আপনি সব পক্ষের রেফারেন্স পাবেন।মানুষ হত্যা করার পক্ষেও কুরান হাদিসের দলিল পাবেন আবার বিপক্ষেও পাবেন।সকল আপনার পথভ্রষ্টতার পক্ষেও দলিল পাবেন আবার বিপক্ষেও দলিল পাবেন।এ কারনে মোল্লাদের  আপনি সব পক্ষেই পাবেন।তারা তর্কের সময় যখন যে পক্ষে তখন সে পক্ষের দলিল দেখায়।

Read More

আমি সৃষ্টি করেছি মানুষকে সুন্দরতম গঠনে। কোরআন ৯৫/৪ যিনি তার প্রত্যেকটি সৃষ্টিকে সৃষ্টি করেছেন উত্তম রূপে এবং কাদামাটি থেকে মানুষ সৃষ্টি করেছেন। কোরআন ৩২/৭ মানুষ তো সৃষ্টি হয়েছে দুর্বল চিত্ত রূপে। কোরআন ৭০/১৯ আল্লাহ তোমাদের ভার লঘু করতে চান, কারণ মানুষকে দুর্বলরূপে সৃষ্টি করা হয়েছে। কোরআন ৪/২৮

Read More

মৌলবাদ, জাতীয়তাবাদ, বর্ণবাদ, ধর্মবাদ, জাতপাতের বরাই পৃথিবীতে যতদিন থাকবে, জঙ্গীহামলা, যুদ্ধ, গণহত্যাও ততদিন রবে । ঈশ্বর, ঈশ্বরের মনোনীত ধর্ম নিয়ে টানাটানি হেঁচড়া হেঁচড়ি করা মডারেট হু-যুগের প্রাণী গুলির মস্তিষ্কে মানব বোধ চিরাচরিতই বেমানান। মানুষের প্রাণহানিতে  যারা পক্ষে পক্ষে বাহ্ বাহ্ তে উল্লাসিত হয়, উৎসাহিত করে আরেকটি যুদ্ধের প্রস্তুতিকে, তারাই তাদের রিলেটিভ হরমোন, জ্বিনের একাংশ যারা অমানবিক হত্যাযজ্ঞ চালায়। একজন খ্রিস্টান সন্ত্রাসী হলে সকল খ্রিষ্টানকে দুশারূপে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা বা একজন হিন্দু সন্ত্রাসী হলে সকল হিন্দুকে, একজন বুদ্ধ সন্ত্রাসী হলে সকল বুদ্ধ কে বা একজন মুসলিম সন্ত্রাসী হলেই সকল মুসলিমকে ঘৃণা, দুশারুপ করাটা একেবারেই অযুক্তিক।সন্ত্রাসী_ সন্ত্রাসীই । সন্ত্রাস বাদ…

Read More

মুক্তমনা মানেই ধর্ম-বিরোধী নয়, বলা যায় অনেক মুক্তমনাই ধর্মের কঠোর সমালোচক । কারণ তারা মনে করেন ধর্ম জিনিসটা আদীম কালের পুরুনোনীতি ,কুসংস্কার বা রূপকথার গল্প যাহা মিথ্যার উপর প্রতিষ্ঠিত। মুক্তমনারা সর্বদা যৌক্তিক , প্রমাণিত ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি আস্থাশীল, আজন্ম লালিত কুসংস্কারের উপর নয়। রূপকথার অদৃশ্য গল্প বা কুসংস্কারের কাছে আত্মসমর্পণ করা আসলে নিজের সাথে প্রতারণা করা ছাড়া আর কিছু নয়। অনেক মুক্তমনাদের ধর্ম-বিরোধী হওয়ার একটা বড় কারণ হল, ধর্মগুলোর মধ্যে বিরাজমান নিষ্ঠুরতা । প্রায় প্রতিটি ধর্মগ্রন্থের বিভিন্ন আয়াত, অধ্যায়, শ্লোক ও বাক্যে বিধর্মীদের প্রতি এবং কিছু কিছু গ্রন্থে অন্যধর্মালম্বীদের প্রতিও ঘৃণা প্রকাশ করা হয়েছে , এমনকি কিছু ধর্মে বিধর্মীদের…

Read More

১. আমি কে?মানুষের আমিত্ববোধ যত আদিম ও প্রবল, তত আর কিছুই নহে। আমি সুখী, আমি দুঃখী, আমি দেখিতেছি, আমি শুনিতেছি, আমি বাঁচিয়া আছি, আমি মরিব ইত্যাদি হাজার হাজার রূপে আমি আমাকে উপলব্ধি করিতেছি। কিন্তু যথার্থ ‘আমি’- এই রক্ত-মাংস-অস্থি-মজ্জায় গঠিত দেহটিই কি ‘আমি’? তাহাই যদি হয়, তবে মৃত্যুর পরে যখন দেহের উপাদানসমূহ পঁচিয়া-গলিয়া অর্থাৎ রাসায়নিক পরিবর্তনে কতগুলি মৌলিক পদার্থে রূপান্তরিত হইবে, তখন কি আমার আমিত্ব থাকিবে না? যদি না-ই থাকে, তবে স্বর্গ-নরকের সুখ-দুঃখ ভোগ করিবে কে? নতুবা ‘আমি’ কি আত্মা? যদি তাহাই হয়, তবে আত্মাকে ‘আমি’ না বলিয়া ‘আমার’- ইহা বলা হয় কেন? যখন কেহ দাবী করে যে, দেহ আমার, প্রাণ…

Read More