Author: sadekmahmud

■ প্রথম মুসলিম/ বিশ্বাস স্থাপনকারী কে? মুহাম্মাদ- আপনি বলে দিনঃ আমি কি আল্লাহ ব্যতীত-যিনি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের স্রষ্টা এবং যিনি সবাইকে আহার্য দানকরেন ও তাঁকে কেউ আহার্য দান করে না অপরকে সাহায্যকারী স্থির করব? আপনি বলে দিনঃ আমি আদিষ্ট হয়েছি যে, সর্বাগ্রে আমিই আজ্ঞাবহ হব। আপনি কদাচ অংশীবাদীদের অন্তর্ভুক্ত হবেন না। কোরআন ৬/১৪ আরও আদিষ্ট হয়েছি, সর্ব প্রথম মুসলিম হওয়ার জন্যে। কোরআন ৩৯/১২ মূসা- তারপর মূসা যখন আমার প্রতিশ্রুত সময় অনুযায়ী এসে হাযির হলেন এবং তাঁর সাথে তার পরওয়ারদেগার কথা বললেন, তখন তিনি বললেন, হে আমার প্রভু, তোমার দীদার আমাকে দাও, যেন আমি তোমাকে দেখতে পাই। তিনি বললেন, তুমি আমাকে কস্মিনকালেও দেখতে পাবে না,…

Read More

Sadek Mahmud is an international human rights activist, blogger, writer, and the founder of the Humanists Society of Bangladesh. Born in: Kishoreganj, Dhaka, Bangladesh Currently residing in: Kolkata, India My Core Beliefs and Statements:- On Religion and Morality: I am a person free from religious fundamentalism and communal bias. I strongly believe in secularism—not as an anti-religious stance, but as a foundation for a society where all individuals are free to follow or not follow any religion. To me, secularism does not mean the absence of religion, nor does it mean obstructing anyone’s right to practice their faith. Rather, I…

Read More

যেই মাঠ থেকে এসেছিল স্বাধীনতার ডাক, সেই মাঠের শব্দ শুনে আজ হতবাক। মাত্র ৫ বছর আগে শফি হুজুর ছিলেন পাকিস্তানের দালাল, মেয়েদের তেঁতুলের সাথে তুলনা করায় প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনার বস্তু , ৫ই মে ২০১৩ তে কওমী মাদ্রাসার ছেলেদের মতিঝিলে পুলিশ দিয়ে সরকার লাঠিপেটা করেছিল। সম্প্রতি আমরা দেখেছি আওয়ামী লীগের নেতারা কিভাবে দিনরাত হেফাজত-কে গালি দিতো। ভেবেছিলাম এই হেফাজতের বিপক্ষে আওয়ামী লীগ থাকবে, হেফাজত-কেও নিষিদ্ধ করবে জামায়াতের মত। ৫ বছর পরে শফি হুজুর হাসিনার পাশে বসেই সমাবেশ করলেন, সংবর্ধনা পেলেন এবং ‘কওমী মাদ্রাসার জননী’ উপাধি পেলেন। যে আওয়ামী লীগের মন্ত্রীরা বলতেন ‘তেঁতুল হুজুর’, তারাই বললেন যে এমন অসম্মানজনক কথা আর বলা যাবে…

Read More

মানুষের চিন্তা ভাবনা আজও ধর্মীয় কু-সংস্কারের দ্বারা সীমাবদ্ধ।আমাদের অনেকের চিন্তা ভাবনা এইরকম যে,ইহুদী- খ্রিষ্টান বা নাস্তিকদের লেখা বই পড়লে আমাদের নাকি ঈমান থাকে না, এইগুলি নাকি বিধর্মীদের লেখা ধর্ম বিরোধী বই ।যার দরুন অনেকেই তাদের লেখা বই পড়ে না বা পরতে চাই না ।তাই আজও বিগ ব্যাং থিউড়ি, সৃষ্টি তত্ত্ব, জীব তত্ত্ব এবং মানব সভ্যতার বিবর্তনবাদ এর মত অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও অনেকের অজানাই থেকে যাই । বই একটা সু-তথ্যের মাধ্যম, এটা কখনো একজন মানুষকে পথভ্রষ্ট করে না , যদি কেও বই পড়ে জ্ঞান অর্জন করে নিজের পথ বদলাই , তবে এটা কখনোই ভ্রষ্ট পথ নই , সু-পথ।

Read More