| M | T | W | T | F | S | S |
|---|---|---|---|---|---|---|
| 1 | 2 | 3 | 4 | |||
| 5 | 6 | 7 | 8 | 9 | 10 | 11 |
| 12 | 13 | 14 | 15 | 16 | 17 | 18 |
| 19 | 20 | 21 | 22 | 23 | 24 | 25 |
| 26 | 27 | 28 | 29 | 30 | 31 | |
- প্রকাশিত হলো ভন্ডামি ও কুযুক্তির মুখোশ উন্মোচনের বই, সত্যের মুখোমুখি !
- মানব জাতির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
- স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাস এবং এর বাস্তবতা
- জামাত শিবিরের বট বাহিনীর সংঘবদ্ধ রিপোর্টের কারণে আমার ফেসবুক প্রোফাইলটি ডিজেবল হয়ে গিয়েছে
- জামায়াতে ইসলামীর জন্ম ও চরিত্র : একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণী –
- নাস্তিকতা – বিশ্বাসের বাইরে এক চিন্তার জগৎ
- ওয়াজের নামে ধর্ম ব্যবসা
- ধর্ম ও বাংলাদেশের রাজনীতি
Author: sadekmahmud
“সত্যের মুখোমুখি” এমন একটি বই, যেখানে লেখক বাস্তবতা ও যুক্তিবাদী দৃষ্টিভঙ্গিকে ভিত্তি করে অন্ধবিশ্বাস, কুসংস্কার ও প্রচলিত কু-প্রথার বিরুদ্ধে কলম ধরেছেন। এক অন্ধকারাচ্ছন্ন বিশ্বাসঘেরা সমাজে বেড়ে ওঠা মানুষ কীভাবে যুক্তি, দর্শন, ইতিহাস ও সাহিত্যের আলোয় সত্যকে চিনে নেয়, বইটি সেই যাত্রার নির্মম উদাহরণ। এখানে দেখানো হয়েছে অন্ধবিশ্বাস, কুসংস্কার এবং কুযুক্তি কীভাবে সমাজকে শত বছর পিছিয়ে দেয় তার চিত্র। বইটি ধর্ম, রাজনীতি, আধুনিকতা ও মানবাধিকারের বাস্তব আলোচনার মধ্য দিয়ে পাঠককে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে। যুক্তির পাশাপাশি বিশ্ববিখ্যাত মনীষী ও চিন্তকদের জীবনের ঘটনার উদাহরণও বইটিকে আরও প্রমাণসমৃদ্ধ করেছে। প্রচলিত প্রথা ভেঙ্গে সত্যকে গ্রহণ করার সাহস না থাকলে এই বই আপনার জন্য…
মানব জাতির ইতিহাস আসলে মানুষের ধীরে ধীরে মানুষ হয়ে ওঠার গল্প। এটি কোনো হঠাৎ ঘটে যাওয়া ঘটনা নয়, বরং অসংখ্য দিনের সংগ্রাম, ভুল, শিক্ষা আর অভিজ্ঞতার ফল। এই ইতিহাসে মানুষের দুঃখ দুর্দশার কান্না আছে, স্বপ্ন আছে, ভয় আছে, আবার সাহসও আছে। মানুষ যেমন প্রকৃতির কাছে বারবার পরাজিত হয়েছে, তেমনি নিজের বুদ্ধি ও চেষ্টায় সে প্রকৃতির অনেক রহস্য উন্মোচন করতেও সক্ষম হয়েছে। মানব ইতিহাস তাই কেবলই একটি অতীতের কাহিনি নয়; এটি মানুষের পরিবর্তনের একটি ধারাবাহিক দলিল।আদিম যুগে মানুষ ছিল প্রকৃতির এক অসহায় প্রাণী। খাদ্যের সন্ধানে তাকে ঘুরে বেড়াতে হতো, রাত কাটাতে হতো গুহায় কিংবা খোলা আকাশের নিচে। বন্য পশু, ঝড়-বৃষ্টি ও…
(মরুভূমি ও সমুদ্রের সংলাপ) মরুভূমি:মানবজীবনের প্রকৃত গভীরতা বোঝা কি এত সহজ, সমুদ্র? সবকিছু তো চোখে দেখা যায় না তবুও মানুষ অনুভব করে যে কোথাও যেন এক অন্তরদৃষ্টি কাজ করে। আমার মনে হয়, এই বিশাল মহাবিশ্বে যারা অস্তিত্ব লাভ করেছে, তারা সবাই এক অনন্ত পরিকল্পনার ক্ষুদ্র অংশমাত্র। সমুদ্র:তুমি কি বলতে চাও যে, এই বিশালতা কোনো একজন সৃষ্টি কর্তার ইশারায় নয়? মরুভূমি:অনেকটা তাই। যেমন মানবদেহে কোটি কোটি কোষ একত্রে মিলিত হয়ে একটি জটিল জৈব কাঠামো তৈরি করে, তেমনি এই মহাবিশ্বও অসংখ্য জটিল উপাদানের সম্মিলনে গঠিত। আমি মনে করি, এর পেছনে আছে এক বা একাধিক মহাজাগতিক পরিকল্পক যাকে আমরা এখনো চিনিনা এবং, যা…
জামাত শিবিরের বট বাহিনীর সংঘবদ্ধ রিপোর্টের কারণে আমার ফেসবুক প্রোফাইলটি ডিজেবল হয়ে গিয়েছে
জামাত শিবিরের বট বাহিনীর সংঘবদ্ধ রিপোর্টের কারণে আমার এই ফেসবুক প্রোফাইলটি ডিজেবল হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে আমার কোনো পার্সোনাল ফেসবুক প্রোফাইল নেই। আমি এখন থেকে ফেসবুক পেইজ ও ইউটিউবে ভিডিও পোস্ট করব। পাশাপাশি আমার ওয়েবসাইটেও লেখালেখির চর্চা চালিয়ে যাবো। এই মাধ্যমগুলি লাইক/ফলো/সাবস্ক্রাইব/শেয়ার করে আমার সাথে যুক্ত থাকার অনুরোধ রইলো। আমার ফেসবুক পেইজ লিংক facebook.com/SadekmPage ইউটিউব চ্যানেল লিংক youtube.com/@sadekmvlog মানবিক সমাজ গড়ার লক্ষ্যে মুক্তচিন্তা ও যুক্তির লড়াইয়ে আমার সাথে যুক্ত থাকায় আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।
জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ মূলত ভারতীয় জামায়াতে ইসলামী হিন্দেরই শাখা সংগঠন। ১৯৪১ সালে লাহোরে মওলানা আবুল আলা মওদুদী দলটি প্রতিষ্ঠা করেন। সে সময় ভারতের প্রধান আলেম সংগঠন জমিয়তে ওলামায়ে হিন্দ ছিল স্পষ্টভাবে ব্রিটিশবিরোধী ও স্বাধীনতার পক্ষে। কিন্তু মওদুদী জমিয়ত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে রাজনৈতিক কারণে ব্রিটিশপন্থী অবস্থান নেন এবং আলাদা ভাবধারার ওপর ভিত্তি করে জামায়াতে ইসলামী গড়ে তোলেন। প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই জামায়াত ভারতের স্বাধীনতার বিরোধিতা করে এবং পরবর্তীতে পাকিস্তান সৃষ্টির বিরুদ্ধেও অবস্থান নেয়। মওদুদী মুসলিম লীগকে “কাফের দল” বলেছেন এবং পাকিস্তান রাষ্ট্রকে “আহাম্মকের বেহেশত” হিসেবে উল্লেখ করেছেন যা দলের আদর্শগত দ্বন্দ্বকে স্পষ্ট করে। পাকিস্তান সৃষ্টি পর তিনি সেখানে গিয়ে ১৯৫৩ সালে কাদিয়ানিবিরোধী…
মানুষের জন্ম শুধু বেঁচে থাকার জন্য নয়, জানার জন্যও। মানুষের চোখে যখন প্রথম কালো মেঘে ঢাকা ভয়ঙ্কর আকাশ ভেসে উঠেছিল, তখন বজ্রপাতের গর্জন শুনে তার মনে ভয় জেগেছিল। ভয় থেকেই জন্ম নিয়েছিল বিশ্বাস, আর বিশ্বাস থেকেই নানামুখী এই ৪০০০ এর অধিক ধর্মের সূত্রপাত। মানুষ অজানাকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ঈশ্বর, দেবতা, ফেরেশতা বা পরজগতের কথা ভেবেছিল। এই চিন্তা যুগে যুগে তাকে সান্ত্বনা দিয়েছে, আবার অনেক সময় বেঁধেও রেখেছে। কিন্তু মানুষের মস্তিষ্কে যে প্রশ্ন করার অদম্য শক্তি আছে, সেটিই একদিন তাকে এই প্রশ্নে পৌঁছে দিল যে “সব কিছু কি সত্যিই কোনো অদৃশ্য সত্তা নিয়ন্ত্রণ করে?”এই প্রশ্ন থেকেই জন্ম নাস্তিকতার, অর্থাৎ এমন…
ধর্ম, বিশেষত ইসলাম, কোনোদিনই ব্যবসার মাধ্যম ছিল না। এটি ছিল আত্মার মুক্তি, মানবতার শিক্ষা, ইনসাফ ও ন্যায়বিচারের ভিত্তি। অথচ বর্তমান সমাজে আমরা এক ভয়াবহ বাস্তবতার সম্মুখীন—যেখানে ধর্মচর্চার অন্যতম মাধ্যম ওয়াজ ক্রমেই রূপ নিচ্ছে একটি সাংস্কৃতিক শিল্পপণ্যে, যার মূল উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে আর্থিক লাভ, সামাজিক প্রভাব ও ডিজিটাল তারকাখ্যাতি। এমন পরিস্থিতি আমাদের কেবল ভাবায় না, বরং প্রশ্ন তুলতে বাধ্য করে—এই যে ওয়াজের নামে ধর্মব্যবসা, এটি কি কেবল কয়েকজন বক্তার অসাধুতা, নাকি আমাদের গোটা ধর্ম চর্চা ও ভাবনার ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি? প্রথমত, ধর্মব্যবসার মূল উৎপত্তি হয়েছে ধর্মচর্চাকে “দর্শন থেকে বিচ্ছিন্ন করে রূপান্তর” করার মাধ্যমে। অর্থাৎ, যেখানে ধর্ম ছিল নিজেকে জানার পথ, সেখানে…
ধর্ম হচ্ছে নিজেকে শাসন করার জন্যে, অন্যকে নয়। যিনি ধর্মকে সঠিক ভাবে নিজের মধ্যে ধারণ করে জীবন যাপন করেন তিনিই প্রকৃত ধার্মিক। আর যিনি ধর্মকে অন্যের উপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন বা অন্যকে কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম পালনে বাধ্য করেন তিনি কখনোই সহি ধার্মিক নন বরং তিনি ধর্মের মুখোশের আড়ালে আপন স্বার্থ হাসিলের একটি অসত চরিত্র লালন করেন। বাংলাদেশের মতো একটি বহুজাতিক মানুষের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের শাসন ব্যবস্থা ও জাতীয় নিয়মনীতির সাথে কোনো স্পেসিফিক ধর্মের সম্পৃক্ততা থাকাটা নৈতিক নয়। থাকলে তা নতুন এক ফ্যাসিবাদের জন্ম দিবে যা নিজেদের ধর্মীয় মতাদর্শ অন্য সকলের উপর চাপিয়ে দিয়ে সকলের সুষ্ঠুভাবে বেঁচে থাকার অধিকার হরণ করবে।…
ভিন্নমত মানেই শত্রুতা নয়, প্রশ্ন মানেই অবমাননা নয়। মানুষ জন্মগতভাবে চিন্তাশীল। আমরা সকলেই জানতে চাই, বুঝতে চাই, ভাবতে চাই। আমরা কেবল মুখস্থ করে চলার জন্য জন্মাইনি। আমরা প্রশ্ন করি, দ্বিমত পোষণ করি, কারণ আমরা জ্ঞান অর্জন করতে চাই। আর এই জানার পথের প্রথম ধাপই হলো প্রশ্ন করা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার চর্চা করা । মত প্রকাশের অধিকার মানে ধর্ম অবমাননা নয়। আজকাল আমাদের দেশে একটা ভয়ংকর প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যেখানে কেউ ধর্ম, সমাজ, বা সংস্কার নিয়ে প্রশ্ন তুললেই আমরা তাকে ‘ধর্ম অবমাননা’, ‘অবিশ্বাসী’ বা নাস্তিক বলি। যেন ভিন্নভাবে ভাবার অধিকার কারও নেই! অথচ মত প্রকাশের স্বাধীনতা একটি মৌলিক মানবাধিকার,…
বাংলাদেশসহ উপমহাদেশীয় সমাজব্যবস্থায় নারীকে এখনও একটি পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে নয়, বরং পুরুষের অধীনস্থ ঘৃহিণী, কখনো ভোগ্যপণ্য কিংবা ঘরের কাজের লোক হিসেবেই অধিকাংশ সময় বিবেচনা করা হয়। যদিও সমাজে নারীর অবস্থান আগের তুলনায় অনেক উন্নত হয়েছে, তথাপি সমাজের গভীরে এখনো পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা প্রবলভাবে বিদ্যমান। এই মানসিকতা নারীকে পুরুষের তুলনায় সবসময় নিচে রাখে, সীমাবদ্ধ করে তার চলাফেরা, চিন্তা ও সুযোগের পরিধিকে। আমাদের সমাজে অধিকাংশ ক্ষেত্রে এখনো মনে করা হয়—নারীর প্রধান কাজ হলো ঘরের কাজ করা, স্বামী-সন্তানের দেখাশোনা করা, এবং পরিবারের সেবায় নিয়োজিত থাকা। যদিও নারী আজ চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, শিক্ষক, পুলিশ, সৈনিক, রাজনীতিবিদ এমনকি মহাকাশচারীও হচ্ছে, তবুও সমাজের এক বড় অংশ মনে…
