| M | T | W | T | F | S | S |
|---|---|---|---|---|---|---|
| 1 | 2 | 3 | 4 | |||
| 5 | 6 | 7 | 8 | 9 | 10 | 11 |
| 12 | 13 | 14 | 15 | 16 | 17 | 18 |
| 19 | 20 | 21 | 22 | 23 | 24 | 25 |
| 26 | 27 | 28 | 29 | 30 | 31 | |
- প্রকাশিত হলো ভন্ডামি ও কুযুক্তির মুখোশ উন্মোচনের বই, সত্যের মুখোমুখি !
- মানব জাতির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
- স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাস এবং এর বাস্তবতা
- জামাত শিবিরের বট বাহিনীর সংঘবদ্ধ রিপোর্টের কারণে আমার ফেসবুক প্রোফাইলটি ডিজেবল হয়ে গিয়েছে
- জামায়াতে ইসলামীর জন্ম ও চরিত্র : একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণী –
- নাস্তিকতা – বিশ্বাসের বাইরে এক চিন্তার জগৎ
- ওয়াজের নামে ধর্ম ব্যবসা
- ধর্ম ও বাংলাদেশের রাজনীতি
Author: sadekmahmud
ইসলামে গনতন্ত্র বিলকুল হারাম, কিন্তু ইসলামের প্রতিনিধি হইয়ে গণতন্ত্রের নির্বাচনে আসতে চাইছে যারা এরা কারা? মূর্তি পূজা ইসলামে শিরক, শিরক মানে আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা, যা সর্বোচ্চ লেবেলের গোনাহ্। কিন্তু ইসলামের ধ্বজাধারী হয়ে পূর্ণাঙ্গ ঈমান নিয়ে মূর্তি পূজায় পাহারা ও স্বেচ্ছা সেবা দেওয়ার দায়িত্ব নিতে চাইছে এরা কারা? তাদের উদ্দেশ্য কি? এরা ইসলাম ধর্ম লালন পালন করতে চাইছে নাকি ধর্মকে ব্যবহার করে ক্ষমতার রস চাঁটতে চাইছে? বৈষম্যহীন ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে ভিন্নধর্মীদের ধর্ম পালন করতে ইসলামী সংগঠনের নেতা, মাদ্রাসার ছাত্র বা ঈমানদার মুসলমানদের কাছে কেনো নিরাপত্তা ভিক্ষা নিতে হবে, তাহলে রাষ্ট্রের দায়িত্ব কি? আর এইযে বিভিন্ন ইসলামিক বক্তাগণ তাদের বক্তৃতায় বলতেছেন…
সমকামীদের অধিকার নিয়ে বিতর্ক মূলত অধিকার আছে কি না, সেই প্রশ্নকে ঘিরে নয়; বরং রাষ্ট্র নাগরিকত্বকে শর্তসাপেক্ষ করবে কি না, সেই মৌলিক রাষ্ট্রবোধের প্রশ্নকে সামনে আনে। আধুনিক রাষ্ট্রে অধিকার জন্মসূত্রে প্রাপ্ত। যৌন পরিচয়, ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা জীবনধারার কারণে কোনো নাগরিকের অধিকার বাতিল হয় না। অধিকার কোনো অনুমোদননির্ভর সুবিধা নয়; এটি মানুষের অস্তিত্বের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্য। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বয়ানে এমন ভাষা ক্রমাগত ব্যবহৃত হচ্ছে, যেখানে সমকামী মানুষকে “থাকার অযোগ্য” বা “দেশছাড়া করার যোগ্য” হিসেবে চিত্রিত করা হয়। এই বক্তব্যগুলোকে প্রায়ই মতামত হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও বাস্তবে এগুলো নাগরিকত্ব হরণ ও সহিংসতার সামাজিক ভিত্তি তৈরি করে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ভাষায়, এটি ডিহিউম্যানাইজেশনের…
আমাদের সমাজে এই ব্যাপারটি কখনোই সামনে আসে না। কারণ এখানে স্বামী তার বউকে যখন খুশি তখন যেইভাবে খুশি সেইভাবে যেকোনো মুহূর্তে তার ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় তার সাথে ইন্টারকোর্স করার জন্যে সামাজিক ভাবে বিয়ের মাধ্যমে বৈধ লাইসেন্স পেয়ে থাকে। বাংলাদেশের আইনেও এখনো ধর্ষনের সংজ্ঞাটি পরিষ্কার বলে আমার মনে হয়নি, এখানে ছেলে এবং মেয়ের দুজনের সম্মতিতে সঙ্গম করলেও যদি কোনো কারণে তাদের বিয়ে না হয় তবে এখানে নারীর ইচ্ছেমত পুরুষের বিরদ্ধে অ্যাকশান নেওয়া ধর্ষনের আইনের আওতায় আসে, আবার কোনো স্বামী যখন তার বউকে তার অনিচ্ছায় ইন্টারকোর্স বা ধর্ষণ করেন সেটা আবার আমাদের আইন স্বাভাবিক চোখেই দেখে। অর্থাৎ আমাদের দেশের আইনে বৈবাহিক…
জাতি হিসেবে আমরা কিছুটা চিন্তাগ্রস্থ হলেও এখনো যথেষ্ট চিন্তাশীল নই আমরা। আমরা একটু চিন্তায় পরে গেলেই হাপিয়ে যায়, আমাদের কাছে নিয়মিত চিন্তা ভাবনা চর্চা যেন নিয়ম করে বিষের পাত্রে চুমুক, যেটা মোটেও কাম্য নয়, চিন্তাচর্চা ব্যতিরেকে কোনো জাতি কখনোই সভ্যতার দিকে অগ্রসর হতে পারে না। চিন্তাশীলতা বিস্তারের জন্য মুক্তচিন্তা তার পূর্বশর্ত। মুক্তবুদ্ধির চর্চা যে সমাজে নেই, সেই সমাজ স্থবির হতে বাধ্য। গুহার জীবন থেকে শুরু করে এই আধুনিক সভ্যতা সবই সম্ভব হয়েছে মুক্ত চিন্তার চর্চার মাধ্যমে। পৃথিবীর প্রাচীনকাল থেকে যখন মানুষের শাসন এবং সমাজ ব্যবস্থার শুরু হয়েছে তখন থেকেই মুক্তবুদ্ধির চর্চা শুরু হয়েছে। পাশ্চাত্য থেকে প্রাচ্য সব পরিবর্তিত সমাজ…
আমি বহুল প্রচলিত কোনো ঈশ্বরের অস্তিত্ব এবং তাদের দৈব শক্তি ও আমি বহুল প্রচলিত কোনো ঈশ্বরের অস্তিত্ব এবং তাদের দৈব শক্তি ও তাদের আচার বিচারে এক বিন্দুও বিশ্বাস কিংবা ভরসা করি না। কিন্তু এটা খুব ভালো ভাবেই বিশ্বাস করি যে, *প্রকৃতি কারো পাপের ভার নিজের কাঁদে নেয় না*। প্রত্যেকেই তার কৃত কর্মের ফলাফল নিজে ভোগ করতে বাধ্য। আপনি হয়তো আজকে কোনো একটা অন্যায় করে ভালো বোধ করতেছেন, ভাবছেন ভালই ত আছি। বাহ্যিকভাবে এর কোনো খারাপ ইফেক্ট দেখতে পাচ্ছেন না। কিন্তু এই কর্মের ফিডব্যাক সাথে সাথেই আপনার মস্তিষ্কে সেট হয়ে গিয়েছে। আপনার জীবনের সাথে যা কিছু ঘটে এবং ঘটবে সকল কিছুই…
আমি বহুল প্রচলিত কোনো ঈশ্বরের অস্তিত্ব এবং তাদের দৈব শক্তি ও তাদের আচার বিচারে এক বিন্দুও বিশ্বাস কিংবা ভরসা করি না। কিন্তু এটা খুব ভালো ভাবেই বিশ্বাস করি যে, *প্রকৃতি কারো পাপের ভার নিজের কাঁদে নেয় না*। প্রত্যেকেই তার কৃত কর্মের ফলাফল নিজে ভোগ করতে বাধ্য। আপনি হয়তো আজকে কোনো একটা অন্যায় করে ভালো বোধ করতেছেন, ভাবছেন ভালই ত আছি। বাহ্যিকভাবে এর কোনো খারাপ ইফেক্ট দেখতে পাচ্ছেন না। কিন্তু এই কর্মের ফিডব্যাক সাথে সাথেই আপনার মস্তিষ্কে সেট হয়ে গিয়েছে। আপনার জীবনের সাথে যা কিছু ঘটে এবং ঘটবে সকল কিছুই আপনার মস্তিষ্কের ডেটার উপর নির্ভর করে ঘটে। এই ডেটাব্যাজ যত কুলষিত…
পৃথীবির প্রায় সকল প্রাণীই মাতৃতান্ত্রিক হলেও মানুষ কেনো পুরুষতান্ত্রিক? পৃথিবীতে যুগযুগ ধরে শক্তভাবে টিকে থাকা যত তন্ত্র রয়েছে তারমধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে পুরুষতন্ত্র। পৃথিবীতে আজকের এই পুরুষতন্ত্র এমনিতেই আসেনি, এর পিছনে রয়েছে কারন। যেখানে পুরুষতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পূর্বের ইতিহাসটা প্রায় ৮০% পুরুষদের জন্যেই যথেষ্ট মর্মান্তিক ছিল! সামগ্রিকভাবে নারী এবং পুরুষদের বাকি সব জায়গায় এক লাইনে এক পাল্লায় এক অবস্থানে সমান তালে সম অধিকার সম মর্যাদায় বা যেকোনো সম অবস্থানে নিয়ে আসতে পারলেও যেখানে সমতা নিশ্চিত করতে পারবেন না তা হলো যৌনতায়। প্রজনন এবং যৌনতায় নারী এবং পুরুষের ইচ্ছা আখাঙ্খা চাহিদা বা আগ্রহ কখনোই এক ছিল না, এবং এখনো যথেষ্ট ভাবেই নেই।…
আশেপাশে ৩ ধরনের রিলেশনশিপ দেখা যায়। প্রথমটি, যেখানে সবকিছুই সুখ, সবকিছুই ভালোলাগা, দুইজনেই দুইজনের প্রতি মুগ্ধ, আকৃষ্ট; কারো কোনো দোষ নেই, অযোগ্যতা নেই, নেই কোনো সমস্যা। নিয়মিত ফিজিক্যাল অ্যাটাচমেন্ট আর সোশ্যাল মিডিয়ায় শো-অফ চলছে, এবং সবকিছু ঠিকঠাক চলছে। (Temporary) দ্বিতীয়টি হল যখন একজন জানতে শুরু করেন তার সাথে থাকা মানুষটির দোষ, অযোগ্যতা, তার অপূর্ণতা, অ্যাটেনশনের অভাব, সন্ধেহ, ডিসরেসপেক্টিং বিহেভিয়ার আর নিয়মিত অর্থহীন ঝগড়া। এই স্টেইজের রিলেশনশিপ কঠিন এবং টক্সিক, এখানে কেউ কারো কাছে নত হবে না, কারো ঠেকা নেই কারো সমস্যা ঠিক করার, দুইজনেরই পার্সোনালিটির শো-অফ উচ্চ মাত্রার এবং এখানে কেউ কাউকে ঠিক করতে ইচ্ছুক নয়। (Going to hell) তৃতীয়টি…
স্রষ্টা যদি পরমকরুনাময়, দয়ালু, সর্বশক্তিমান, সর্বজ্ঞানী ও সব কিছুর নিয়ন্তা হয় , আর কোন ধর্ম যদি সত্যিই স্রষ্টার পক্ষ থেকে আসে তাহলে তা কখনই মানবতার জন্য বিন্দু পরিমান ক্ষতির কারন হতে পারে না। আর যদি কোন ধর্ম মানবজাতির ক্ষতির কারন হয়, তবে সেটা স্রষ্টার নই, মানব রচিত । আপনার যুক্তিতে কি মনে হচ্ছে ? # তার আগে ধর্মের ক্ষতি সমূহ দেখে নেয়া যাক – ১. ধর্মের কারনে মানুষে মানুষে বিভক্তি ও শত্রুতা হয়ে থাকে। এক ধর্মের লোকেরা অন্য ধর্মের লোকদের ঘৃণা করে থাকে। যত ধর্ম তত জাতিতে বিভক্ত। আবার একই ধর্মের লোকেরা হাজারও দল ও মতে বিভক্ত হওয়ায় স্ব-ধর্মের মধ্যেও বহু শত্রুতা…
এর কিছু বাস্তবিক কারণ ও প্রেক্ষাপট – ধর্মান্ধ পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা: বাংলাদেশের অধিকাংশ পরিবার ই ধর্মান্ধ এবং পুরুষতান্ত্রিক, এখানে ধর্ম এবং পুরুষতন্ত্রের আদলে গড়ে উঠা সমাজ এই আধুনিক সোশ্যাল মিডিয়ার যুগেও নারীদের গৃহ বন্ধী ও কোণঠাসা করে রাখতে চায়। কিছু পরিবার শুধুই যে কোণঠাসা করে রাখে এমনটাই নয় শুধু, বরং সেখানের ধর্মান্ধ পুরুষতান্ত্রিক পুরুষ তার কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চায় নারীর উপর, নারীকে তার হুকুমের গোলাম তথা দাসি বানিয়ে রাখতে চায়। একটি অপ্রিয় বাস্তবতা হচ্ছে বেশিরভাগ পুরুষই যৌনতায় এক নারীতে বেশিদিন সন্তুষ্ট থাকতে পারেন না, নারী যত সুন্দরীই হোক না কেনো, তার প্রতি অনীহা আসেই। বিয়ের কিছুদিন বা কয়েকমাস পরেই নিজের…
