| M | T | W | T | F | S | S |
|---|---|---|---|---|---|---|
| 1 | 2 | 3 | 4 | |||
| 5 | 6 | 7 | 8 | 9 | 10 | 11 |
| 12 | 13 | 14 | 15 | 16 | 17 | 18 |
| 19 | 20 | 21 | 22 | 23 | 24 | 25 |
| 26 | 27 | 28 | 29 | 30 | 31 | |
- প্রকাশিত হলো ভন্ডামি ও কুযুক্তির মুখোশ উন্মোচনের বই, সত্যের মুখোমুখি !
- মানব জাতির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
- স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাস এবং এর বাস্তবতা
- জামাত শিবিরের বট বাহিনীর সংঘবদ্ধ রিপোর্টের কারণে আমার ফেসবুক প্রোফাইলটি ডিজেবল হয়ে গিয়েছে
- জামায়াতে ইসলামীর জন্ম ও চরিত্র : একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণী –
- নাস্তিকতা – বিশ্বাসের বাইরে এক চিন্তার জগৎ
- ওয়াজের নামে ধর্ম ব্যবসা
- ধর্ম ও বাংলাদেশের রাজনীতি
Author: sadekmahmud
এই গ্রহে এমন কিছু ব্যাক্তি আছেন যারা অনেক খুঁতখুঁতে। খুঁতখুঁতে বলতে আমি যা বুঝাতে চাইছি তা হলো- সবকিছু একেবারে নিখুঁত না হলে যাদের মন ভরে না, নিজের সবকিছুই একটা খুঁতহীন অবস্থায় যারা নিয়ে যেতে চাই। সব কিছুতেই যারা একেবারে ১০০% সন্তুষ্টি আশা করে থাকে। অথচ কাউকেই ব্যক্তিজীবনে কোনো কাজে ১% ও বিশ্বাস করতে পারে না, এবং সবার ক্ষেত্রেই একটা নেগেটিভ চিন্তা ভাবনা বহন করে।।। এরকম মানুষ ব্যক্তিজীবনে ,কর্মজীবনে, সমাজজীবনে একটা অস্থির লোক হিসেবে গণ্য হয়। যা তারা নিজে থেকে কখনো টের পাই না। আমার চারপাশে এমন কিছু কিছু লোক দেখি যারা সামনে দিয়ে মশা গেলেই ধরে ফেলে আবার পিছন দিয়ে…
#চরিত্র নম্রতা, ভদ্রতা, সত্যবাদিতা, ন্যায়পরায়ণতা, শালীনতা, ভ্রাতৃত্ববোধ, মানুষের প্রতি সম্মানবোধ, কর্তব্যপরায়ণতা, মিতব্যয়িতা ইত্যাদি গুণাবলী যে ব্যক্তির মধ্যে থাকবে সেই ব্যক্তিই সুন্দর, ভালো এবং সৎচরিত্রের অধিকারী। আবার, মিথ্যা বলা, প্রতারণা, বিশ্বাসঘাতকতা, লোভ, পরনিন্দা, ওয়াদা ভঙ্গ এসব বৈশিষ্ট্য যাদের মাঝে বিদ্যমান তারাই অসৎচরিত্রের অধিকারী এবং চরিত্রহীন। #লজ্জা সবাই বলে লজ্জা হলো নারীর ভুষণ,তাহলে পুরুষের ভূষণ কি? নিন্দা ও সমালোচনার ভয়ে কোন দূষণীয় কাজ করতে মানুষের মধ্যে যে জড়ত্ববোধ / দ্বিধাবোধ হয়ে থাকে সেটাকে বলে লজ্জা বা হায়া। তা হলে লজ্জা শুধুই নারীর ভূষণ হতে যাবে কেন?নারীকে বন্দী করার জন্যে যত রকমের ফন্ধী ও শব্দের প্রয়োজন পুরুষ মানুষ তা প্রয়োগ করেছে,যা স্বপুরুষ এর…
ইসলাম এমন এক ধর্ম যেখানে আপনি সব পক্ষের রেফারেন্স পাবেন।মানুষ হত্যা করার পক্ষেও কুরান হাদিসের দলিল পাবেন আবার বিপক্ষেও পাবেন।সকল আপনার পথভ্রষ্টতার পক্ষেও দলিল পাবেন আবার বিপক্ষেও দলিল পাবেন।এ কারনে মোল্লাদের আপনি সব পক্ষেই পাবেন।তারা তর্কের সময় যখন যে পক্ষে তখন সে পক্ষের দলিল দেখায়।
আমি সৃষ্টি করেছি মানুষকে সুন্দরতম গঠনে। কোরআন ৯৫/৪ যিনি তার প্রত্যেকটি সৃষ্টিকে সৃষ্টি করেছেন উত্তম রূপে এবং কাদামাটি থেকে মানুষ সৃষ্টি করেছেন। কোরআন ৩২/৭ মানুষ তো সৃষ্টি হয়েছে দুর্বল চিত্ত রূপে। কোরআন ৭০/১৯ আল্লাহ তোমাদের ভার লঘু করতে চান, কারণ মানুষকে দুর্বলরূপে সৃষ্টি করা হয়েছে। কোরআন ৪/২৮
মৌলবাদ, জাতীয়তাবাদ, বর্ণবাদ, ধর্মবাদ, জাতপাতের বরাই পৃথিবীতে যতদিন থাকবে, জঙ্গীহামলা, যুদ্ধ, গণহত্যাও ততদিন রবে । ঈশ্বর, ঈশ্বরের মনোনীত ধর্ম নিয়ে টানাটানি হেঁচড়া হেঁচড়ি করা মডারেট হু-যুগের প্রাণী গুলির মস্তিষ্কে মানব বোধ চিরাচরিতই বেমানান। মানুষের প্রাণহানিতে যারা পক্ষে পক্ষে বাহ্ বাহ্ তে উল্লাসিত হয়, উৎসাহিত করে আরেকটি যুদ্ধের প্রস্তুতিকে, তারাই তাদের রিলেটিভ হরমোন, জ্বিনের একাংশ যারা অমানবিক হত্যাযজ্ঞ চালায়। একজন খ্রিস্টান সন্ত্রাসী হলে সকল খ্রিষ্টানকে দুশারূপে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা বা একজন হিন্দু সন্ত্রাসী হলে সকল হিন্দুকে, একজন বুদ্ধ সন্ত্রাসী হলে সকল বুদ্ধ কে বা একজন মুসলিম সন্ত্রাসী হলেই সকল মুসলিমকে ঘৃণা, দুশারুপ করাটা একেবারেই অযুক্তিক।সন্ত্রাসী_ সন্ত্রাসীই । সন্ত্রাস বাদ…
মুক্তমনা মানেই ধর্ম-বিরোধী নয়, বলা যায় অনেক মুক্তমনাই ধর্মের কঠোর সমালোচক । কারণ তারা মনে করেন ধর্ম জিনিসটা আদীম কালের পুরুনোনীতি ,কুসংস্কার বা রূপকথার গল্প যাহা মিথ্যার উপর প্রতিষ্ঠিত। মুক্তমনারা সর্বদা যৌক্তিক , প্রমাণিত ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি আস্থাশীল, আজন্ম লালিত কুসংস্কারের উপর নয়। রূপকথার অদৃশ্য গল্প বা কুসংস্কারের কাছে আত্মসমর্পণ করা আসলে নিজের সাথে প্রতারণা করা ছাড়া আর কিছু নয়। অনেক মুক্তমনাদের ধর্ম-বিরোধী হওয়ার একটা বড় কারণ হল, ধর্মগুলোর মধ্যে বিরাজমান নিষ্ঠুরতা । প্রায় প্রতিটি ধর্মগ্রন্থের বিভিন্ন আয়াত, অধ্যায়, শ্লোক ও বাক্যে বিধর্মীদের প্রতি এবং কিছু কিছু গ্রন্থে অন্যধর্মালম্বীদের প্রতিও ঘৃণা প্রকাশ করা হয়েছে , এমনকি কিছু ধর্মে বিধর্মীদের…
১. আমি কে?মানুষের আমিত্ববোধ যত আদিম ও প্রবল, তত আর কিছুই নহে। আমি সুখী, আমি দুঃখী, আমি দেখিতেছি, আমি শুনিতেছি, আমি বাঁচিয়া আছি, আমি মরিব ইত্যাদি হাজার হাজার রূপে আমি আমাকে উপলব্ধি করিতেছি। কিন্তু যথার্থ ‘আমি’- এই রক্ত-মাংস-অস্থি-মজ্জায় গঠিত দেহটিই কি ‘আমি’? তাহাই যদি হয়, তবে মৃত্যুর পরে যখন দেহের উপাদানসমূহ পঁচিয়া-গলিয়া অর্থাৎ রাসায়নিক পরিবর্তনে কতগুলি মৌলিক পদার্থে রূপান্তরিত হইবে, তখন কি আমার আমিত্ব থাকিবে না? যদি না-ই থাকে, তবে স্বর্গ-নরকের সুখ-দুঃখ ভোগ করিবে কে? নতুবা ‘আমি’ কি আত্মা? যদি তাহাই হয়, তবে আত্মাকে ‘আমি’ না বলিয়া ‘আমার’- ইহা বলা হয় কেন? যখন কেহ দাবী করে যে, দেহ আমার, প্রাণ…
আমার শৈশব কৈশোর কেটেছে গ্রামে। গ্রামের অসংখ্য কুসংস্কার দেখে দেখে আমার বড় হওয়া। এদেশের বিভিন্ন গ্রাম অঞ্চলে দেখা যায় যেখানে একটি মসজিদই যথেষ্ট ছিল, সেখানে প্রতিযোগিতা করে একাধিক মসজিদ নির্মিত হয়েছে। যেমন – সাধারণত গ্রাম অঞ্চলে দেখা যায় যে, কোনো মসজিদের স্থান দাতার সাথে আরেক জন প্রভাবশালী লোকের ধন্দ থাকার কারনে সে ওই মসজিদে নামাজ না পরে সে নিজেই আরেকটা মসজিদ তৈরি করে, দেখা যাই এইরকম যে এক মসজিদের ঈমাম এর কিছু দুশ থাকার কারনে কিছু মুসুল্লী সিদ্ধান্ত নেই যে তারা আর এই মসজিদে নামায পড়বে না, এবং তারাও নিজেরা মিলে আরেকটা মসজিদ তৈরি করে। আবার দেখবেন যে মসজিদের ম্যানেজিং…
মাটি আমি মানবকে পচা কর্দম থেকে তৈরী বিশুস্ক ঠনঠনে মাটি দ্বারা সৃষ্টি করেছি। কোরআন ১৫/২৬ তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন পোড়া মাটির ন্যায় শুষ্ক মৃত্তিকা থেকে। কোরআন ৫৫/১৪ আমি মানুষকে মাটির সারাংশ থেকে সৃষ্টি করেছি। কোরআন ২৩/১২ পানি আমি কি তোমাদেরকে তুচ্ছ পানি থেকে সৃষ্টি করিনি? কোরআন ৭৭/২০ অতঃপর তিনি তার বংশধর সৃষ্টি করেন তুচ্ছ পানির নির্যাস থেকে। কোরআন ৩২/৮ তিনিই পানি থেকে সৃষ্টি করেছেন মানবকে, অতঃপর তাকে রক্তগত, বংশ ও বৈবাহিক সম্পর্কশীল করেছেন। তোমার পালনকর্তা সবকিছু করতে সক্ষম। কোরআন ২৫/৫৪ সে সৃজিত হয়েছে সবেগে স্খলিত পানি থেকে। কোরআন ৮৬/৬ বীর্য শুক্র থেকে তাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তাকে সুপরিমিত করেছেন। কোরআন ৮০/১৯ মানুষ কি দেখে না যে, আমি তাকে…
কিছু খারাপ সময় সবার জীবনেই আসে। একটা কিছু ঘটে গেলে সবার আগে নিজেকে প্রশ্ন করে দেখবেন যে, যেটা হয়েছে সেটা পরিবর্তন করার সুযোগ আছে কিনা। যদি সুযোগ থাকে আপনার উচিত হবে পরিবর্তন করা।আর এই পরিবর্তনের সময় দেয়ালে পিঠ চাপড়ানোর মানে হল আপনি সেই সুযোগটাও নষ্ট করে ফেলছেন। আর যদি ঘটনাটা পরিবর্তন করার কোন সুযোগ নাই থাকে তাহলে নিজেকে এভাবে বোঝাবেন যে – আমি এটা পরিবর্তন করতে পারব না। – আমি এটা পরিবর্তন করতে পারব নাএই বাক্যটি বারবার নিজের ভেতরে প্রতিষ্ঠিত করতে পারলেই দেখবেন বাক্যটি আপনাকে[আমি এটা মেনে নিয়েছি] এর কাছে পৌঁছে দেবে। আপনি যখন মেনে নিতে শুরু করবেন তখনই কষ্ট…
