Close Menu
SADEK MAHMUDSADEK MAHMUD
    What's Hot

    অবশেষে বিদেশ!, বিদায় বাংলাদেশ!!

    January 21, 2026

    প্রকাশিত হলো ভন্ডামি ও কুযুক্তির মুখোশ উন্মোচনের বই, সত্যের মুখোমুখি !

    January 2, 2026

    মানব জাতির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

    December 26, 2025
    February 2026
    MTWTFSS
     1
    2345678
    9101112131415
    16171819202122
    232425262728 
    « Jan    
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Friday, February 27
    Trending
    • অবশেষে বিদেশ!, বিদায় বাংলাদেশ!!
    • প্রকাশিত হলো ভন্ডামি ও কুযুক্তির মুখোশ উন্মোচনের বই, সত্যের মুখোমুখি !
    • মানব জাতির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
    • স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাস এবং এর বাস্তবতা
    • জামাত শিবিরের বট বাহিনীর সংঘবদ্ধ রিপোর্টের কারণে আমার ফেসবুক প্রোফাইলটি ডিজেবল হয়ে গিয়েছে
    • জামায়াতে ইসলামীর জন্ম ও চরিত্র : একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণী –
    • নাস্তিকতা – বিশ্বাসের বাইরে এক চিন্তার জগৎ
    • ওয়াজের নামে  ধর্ম ব্যবসা 
    SADEK MAHMUDSADEK MAHMUD
    • Home
    • Blog
    • Videos / Podcasts
    • Contact
    • Opinion
    • E-Book
    • About
    SADEK MAHMUDSADEK MAHMUD
    Home»ধর্ম»ধর্ম স্রষ্টার নাকি মানব রচিত ?
    ধর্ম

    ধর্ম স্রষ্টার নাকি মানব রচিত ?

    By sadekmahmudAugust 1, 2023Updated:November 23, 2025No Comments6 Mins Read
    Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr WhatsApp Email
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn WhatsApp Pinterest Email

    স্রষ্টা যদি পরমকরুনাময়, দয়ালু, সর্বশক্তিমান, সর্বজ্ঞানী ও সব কিছুর নিয়ন্তা হয় ,

    আর কোন ধর্ম যদি সত্যিই স্রষ্টার পক্ষ থেকে আসে তাহলে তা কখনই মানবতার জন্য বিন্দু পরিমান ক্ষতির কারন হতে পারে না। আর যদি কোন ধর্ম মানবজাতির ক্ষতির কারন হয়, তবে সেটা স্রষ্টার নই, মানব রচিত ।
                             আপনার যুক্তিতে কি মনে হচ্ছে ?

    # তার আগে ধর্মের ক্ষতি সমূহ দেখে নেয়া যাক –

    ১. ধর্মের কারনে মানুষে মানুষে বিভক্তি ও শত্রুতা হয়ে থাকে। এক ধর্মের লোকেরা অন্য ধর্মের লোকদের ঘৃণা করে থাকে। যত ধর্ম তত জাতিতে বিভক্ত। আবার একই ধর্মের লোকেরা হাজারও দল ও মতে বিভক্ত হওয়ায় স্ব-ধর্মের মধ্যেও বহু শত্রুতা হয়ে থাকে। মুসলমানের সন্তানদের তো শিশুকাল থেকেই শেখানো হয় যে কাফের মানে অকৃতজ্ঞ, আল্লাহকে আস্বীকার কারী, আল্লাহর শত্রু। আর এদেরকে ঘৃণা করা ঈমানী দায়িত্ব।আল্লাহর শত্রুদের সাথে বন্ধুত্ব করা জায়েয নেই।

    পৃথিবীতে ধর্মীয় দাঙ্গায় কত নিরীহ মানুষ যে নিহত হয়েছে তার কোন ইয়ত্তা নেই।

    ২. সাধারণ কেউ অপরাধ করলে তার মধ্যে একটু হলেও অনুশচোনা বোধ থাকে। কিন্তু ধর্মীয় অনুভূতি দ্বারা কো্ন অন্যায় করলে সেখানে অনুশচোনা থাকে তো নাই-ই বরং আত্মতৃপ্তি বোধ করে থাকে ।

    ৩. ধর্মের অনেক রীতি থাকে যা মূর্খতামূলক। কিন্তু পৈত্রিক ধর্মের প্রতি সহজাত দূর্বলতার কারনে উক্ত ধর্মের লোকেরা উক্ত মূর্খতামূলক নীতিকে শ্রেষ্ঠ প্রমানের জন্য উঠে পড়ে লাগে যা মানুষকে পশ্চাদপদ করে এবং জ্ঞানের বিকাশের প্রতি বাধা হয়ে দাড়ায়।ধর্ম না থাকলে মানুষ পূর্ব প্রতিষ্ঠিত চিন্তা ও ঝোক প্রবণতা মুক্ত হয়ে স্বাধীন ভাবে চিন্তা করে মানুষ তার সত্যিকার কল্যাণ কি তা বেছে নিতে পারতো।

    ৪. ধর্মীয় উগ্রতা ও জঙ্গিবাদ মানবতার জন্য বড়ই দুশ্চিন্তার বিষয়।

    ৫. মানবরচিত ধর্মকে স্রষ্টার বলে চালিয়ে দেয়া হল একটি বড় মিথ্যাচার।
    মিথ্যার ক্ষতি সর্বজনবিদিত।
    সত্যে মুক্তি আনে,মিথ্যা আনে ধ্বংস।

    ৬. ধর্ম যে সকল কুসংস্কারের জন্ম দেয় তা দেখে বদ্ধ পাগলেও হাসে। ধর্ম মানুষকে বদ্ধ পাগলের স্তরে নামিযে দেয় অথচ সে তা বুঝতে পারে না।

    ৭. ধর্ম বহু লোকের স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার।
    ধর্মীয় বিশ্বাসের দাবিদার মানুষকে দু’শ্রেনীতে ভাগ করা যেতে পারে-
         এক- স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠি (ক্ষুদ্র গোষ্ঠি)
         দুই- সরল বিশ্বাসি যারা এ স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠির শিকার।

    ৮. ধর্ম মানুষের চিন্তা গবেষণার পথ রুদ্ধ করে দেয়। ধর্মে কিছু বলা থাকলে সে বিষয় অতি পবিত্র ও পালনীয় বলে গন্য হয়। তা মানবতার জন্য কোন ক্ষতি বয়ে আনে কিনা তা চিন্তা-গবেষণা তো দূরের কথা, সেটা মাথায়ও আনা যাবে না , কারণ তা মাথাই আনলে ঈমান থাকবে না, ধর্মীয় বাণী যেমনই হউক এটা বিশ্বাস করতে হবে । ফলে ধর্মীয় আচারটি যত বড় ক্ষতিকর হোক না কেন তা উক্ত ধর্মান্ধ শ্রেনীর দৃষ্টির বাইরে থেকে যায়।

    ৯.ধর্মীয় বিশ্বাস মানুষকে তার ভাল-মন্দ বিচারের ক্ষমতাকে সীমাবদ্ধ করে দেয়। এ বিশ্বাস কারো মনে আবদ্ধ হলে সে পৃথিবীর সবকিছুকে বিচার করে তার বিশ্বাসের মাপকাঠি দ্বারা- হোক তা মানবতার জন্য চরম ক্ষতিকর বা কল্যাণকর।

    ১০. মুসলিম জাতীর এতদাবিভক্তির মূল বীজ কুরআন হাদিসেই রযেছে। পৃথিবীতে একমাত্র ধর্ম ইসলাম যার অনুসারীরা এত হাজার হাজার দল ও মতে বিভক্ত যা অন্য ধর্মে দেখা যায় না।অন্য ধর্মে বিভক্তি আছে তা মুসলমানদের তুলনায় শত গুন কম। কুরআনের বক্তব্য সুনির্দিষ্ট না থাকায় ও বিভিন্ন ব্যখ্যা করার সুযোগ থাকায় যিনি কুরআনকে যেভাবে বুঝছেন তিনি সেভাবে ব্যখ্যা করছেন।একাধিক ব্যখ্যা থেকে একাধিক দল তৈরি হচ্ছে।কুরআনের বক্তব্য সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট থাকলে এত বিভক্তি হতো না।
    অন্যান্য ধর্মের লোকেরা বিভিন্ন দলে বিভক্ত থাকলেও মুসলমানদের মত এত বেশি দল ও গোষ্ঠিতে তারা বিভক্ত নয়।ধর্মীয় বিশ্বাসকে মুসলমানেরা যতদিন আকড়ে থাকবে ততদিন এ জাতী ঐক্যবদ্ধ হতে পারবে না।কারন মুসলমানদের বিভক্তির মুল বীজ কুরআনে-হাদিসে রয়েছে।

    ১১. এত অর্থ-বিত্তের পিছেনে লেগে থেকে কি লাভ, কোন রকম খেয়ে দেয়ে আল্লাহর নাম জপে এ দুনিয়া থেকে যেতে পারলেই চলে’-এ ধরনের মানসিকতা মুসলমানদের অর্থণৈতিক ভাবে পিছিয়ে থাকতে সাহায্য করেছে।কোন দুর্যোগ দুর্বিপাক দেখলে আল্লাহ গযব বলে মসজীদে গিয়ে আল্লাহর নাম জপেছে- এ কারনে মুসলমানেরা গবেষণায় পিছিয়েছে।ভূমিকম্প,ঘূর্ণিঝড়-এগুলো সব আল্লাহর গযব। সুতরাং এর কারন গবেষণার প্রয়োজন নেই।কোন সমস্যায় পড়লে তার কারন অনুসন্ধান না করে আল্লাহর উপর ভরসা করার প্রবণতা উক্ত কারন অনুসন্ধান ও গবেষণা থেকে মুসলিমদের পিছিয়েছে। আজব কিছু দেখলে তার কারন নিয়ে গবেষণা না করে- আল্লাহর কি কুদরত বলে সুবহানাল্লাহ বলে শেষ করা হয়। অথচ যারা এসব সুবহানাল্লাহ বলাতে ব্যস্ত না থেকে গবেষণা করেছে তারা আজ দুনিয়ার এসব বহু আজব কিছুর রহস্য ভেদ করতে পেরেছে এবং নব নব আবিস্কারে মানবতা ও সভ্যতার বহু উন্নয়ন করেছে।

    ১২. আজ বিশ্বের বিভিন্নপ্রান্তের বহু মানুষ না খেয়ে মারা যাচ্ছে অথচ মসজিদ-মন্দির নির্মানে কত হাজার কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে। এ বিশাল অর্থ যদি এভাবে অপচয় না করে যদি মানবতার কল্যাণে ব্যায় হত তাহলে মানবতা বড়ই উপকৃত হত।

    ১৩. আজ ধর্ম শিক্ষার নামে মাদ্রাসা শিক্ষার মাধ্যমে ১৪০০ বছরের পুরানো পশ্চাদপদ শিক্ষা দিয়ে হাজার হাজার যুবক ও তরুনের জীবনকে নষ্ট করে দেয়া হচ্ছে। আলিয়া পদ্ধতির মাদ্রাসা থেকে যারা পাস করে তারা অল্প হলেও আধুনিক জ্ঞানের ছোয়া পায় এবং এসএসসি,এইসএসসি পাসের পর যখন জগতের বাস্তবতা কিছুটা বুঝতে পারে তখন এদের অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে আসে আর অনেকে উভয়টি চালিয়ে যায়।
    ∆
    কিন্তু যারা কওমী পদ্ধতির মাদ্রাসায় পড়ে তাদের মস্তিষ্ক অনেকটা বিকৃত হয়ে যায়, অনেকটা বুদ্ধি প্রতিবন্ধি হয়ে পড়ে। এদের ৯০% মসজীদের ইমাম মুয়াজ্জিন হয় ,
    আধুনিক জ্ঞানে সমৃদ্ধ ও সমাজ সচেতন যে কোন লোকই এদের সাথে কথা বললেই বুঝতে পারে এরা বুদ্ধিতে কতটা প্রতিবন্ধি এবং এরা কতটা পিছিয়ে পড়েছে।
    এ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে থেকে পাশ করার পর কর্ম জীবনে এসে তারা বিব্রত বোধ করতে থাকে, তারা কর্ম ক্ষেত্রে তাদের সাথে কর্ম রত নারীদের সাথে লজ্জাই কাজ করতে  পারেনা।
    যার ফলে তারা কোনো ভালো অফিসিয়াল  মার্কেটিং চাকরিতে চান্স পাইনা,
    যার ধরন তাদেরকে অবশেষে মসজিদ মাদ্রাসার ইমামতি ই বেছে নিতে হয়।
    এদের মধ্যে কেউ কেউ আবার দেখা যাই নারীদের সংগে মিশতে না পেরে মাদ্রাসার ছোট ছোট বাচ্চাদের সাথেই সমকামিতায় লিপ্ত হয়।
    আবার অনেকে তাদের আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের জন্যে মানুষ হত্যা করতে ও দ্বিধাবোধ করে না।

    অতএব, বাস্তবিক ভাবে ধর্মীয় শিক্ষা আমাদের কোথায় নিয়ে যাচ্ছে ?

    ভালোর দিকে নাকি খারাপের দিকে ?

    যুক্তিগত ভাবে বলতে গেলে এটাই বলা যায় যে, একজন স্রষ্টা তার সৃষ্টির এমন অধঃপতন কখনোই চায়বেন না।

    আর পৃথিবীতে এখন প্রায় ৪২০০ + ধর্মের আবির্ভাব ঘটেছে, সো একজন স্রষ্টা কি জন্যে তার সৃষ্টি জাতি তে এতগুলো ধর্ম দিয়া তার সৃষ্টি জাতির মধ্যে বিভাজন তৈরি করবেন বা করতে চাইবেন, এটার কোনো যুক্তি আছে কি ?
    আর একজন স্রষ্টার একটি ধর্মই যথেষ্ট নয় কি ?

    পৃথিবীতে প্রচলিত প্ৰায় সকল ধর্মই  মানব রচিত, যার কারণে এতে অনেক ভূল ও ক্ষতির কারন দেখা যাই, আর এতে স্রষ্টার/সৃষ্টিকর্তার কোনো হাত নেই।

    আমার মতের সাথে কেউ দ্বিমত হলে আমাকে গালি না দিয়া , সঠিক টা যুক্তিদিয়া বুঝিয়ে দিবেন, আমি তার প্রতি চিরো কৃতজ্ঞ থাকবো।।

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr WhatsApp Email
    sadekmahmud
    • Website

    Related Posts

    নাস্তিকতা – বিশ্বাসের বাইরে এক চিন্তার জগৎ

    October 25, 2025

    ওয়াজের নামে  ধর্ম ব্যবসা 

    May 26, 2025

    স্বাধীন মত প্রকাশ ও ধর্মীয় অনুভূতি

    March 31, 2025

     নারীর প্রতি আমাদের সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি

    February 20, 2025

    ইসলামে গনতন্ত্র হারাম

    February 13, 2025

    সমকামী নাগরিকত্ব ও রাষ্ট্রবোধ: অধিকার, নিরাপত্তা এবং সমতার প্রশ্ন

    February 12, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Don't Miss

    অবশেষে বিদেশ!, বিদায় বাংলাদেশ!!

    By sadekmahmudJanuary 21, 2026

    কয়েকদিন পরপরই দেখি সোস্যাল মিডিয়ায় কেউ লিখছে, “চলে যাচ্ছি”, কেউ বলছে, “বিদায় বাংলাদেশ।” স্ট্যাটাসগুলো এমন,…

    প্রকাশিত হলো ভন্ডামি ও কুযুক্তির মুখোশ উন্মোচনের বই, সত্যের মুখোমুখি !

    January 2, 2026

    মানব জাতির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

    December 26, 2025

    স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাস এবং এর বাস্তবতা

    December 26, 2025
    Stay In Touch
    • Facebook
    • Twitter
    • Pinterest
    • Instagram
    • YouTube
    • Vimeo
    Our Picks

    অবশেষে বিদেশ!, বিদায় বাংলাদেশ!!

    January 21, 2026

    প্রকাশিত হলো ভন্ডামি ও কুযুক্তির মুখোশ উন্মোচনের বই, সত্যের মুখোমুখি !

    January 2, 2026

    মানব জাতির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

    December 26, 2025

    স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাস এবং এর বাস্তবতা

    December 26, 2025
    © 2026 Sadek Mahmud. Designed by SM TECHNOLOGY.
    • Home
    • ধর্ম
    • নারীবাদ
    • বাংলাদেশ
    • মতামত
    • মুক্তচিন্তা
    • রাজনীতি

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.